নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় ১৫ অক্টোবর বিকেল তিন ঘটিকায় জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার ইনক ও বিরক্ত সিলেটবাসী পক্ষে মানববন্ধন ও প্রতিবাদসভার সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীরা।

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিম ও সাংবাদিক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন যৌথ সঞ্চালনা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার ইনক-এর সভাপতি বদরুল খান, বাংলাদেশ সোসাইটি সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিলেট পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র ও মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুল, বাংলাদেশ সোসাইটি বোর্ড অব ট্রাস্টি আজিমুর রহমান বোরহান, বাংলাদেশ সোসাইটি সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা রানা ফেরদৌস চৌধুরী, সহ সভাপতি শামীম আহমেদ, মোঃ জাবেদ উদ্দিন, মোঃ লোকমান হোসেন লুকু, সদস্য হুমায়ূন কবির সোহেল, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার ইনক-এর সাবেক উপদেষ্টা আব্দুস শহীদ, সাবেক সভাপতি মইনুল হক চৌধুরী হেলাল, সাবেক সহ সভাপতি জোসেফ চৌধুরী, কমিউনিটি এক্টিভেস্ট মুমিত চৌধুরী তানিম, সেলিনা উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ফারমিস আক্তার, ফকু চৌধুরী, ভায়লা সালিনা, মাহবুব রহমান, শেলী জামান খান, শাহ মুজিবুর রহমান জকন, কিনু চৌধুরী, শেখ আতিক, আব্দুল খালেক, এনআরবি চেয়ারম্যান শেকিল চৌধুরী, মেরী জোবাইদা, সৈয়দ উতবা, লাখাই চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তালুকদার, কাদির খান, সালেহ চৌধুরী, সৈয়দ লোকমান, শাহানা বেগম, নুরে আলম জিকু, কল্লোল আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, আসিফ চৌধুরী, আলিম উদ্দীন, মিসবাহ আহমেদ, সৈয়দ ইলিয়াস খসরু এবং টাইম টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের, সাংবাদিক এমদাদ দীপু প্রমুখ।

 

সমাবেশে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার ইনক সহ বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে যোগ দেন। বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও বৃহত্তর সিলেট—সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এখনো উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। অথচ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস এই প্রবাসী সিলেটবাসীরাই। রেমিট্যান্সে দেশের অর্থনীতি সচল থাকলেও নিজ অঞ্চল পড়ে আছে প্রশাসনিক অবহেলার ছায়ায়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ‘জাগো সিলেট’ আন্দোলনের নেতা বাবরুল হোসেন বাবুল, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বদরুল হোসেন খান, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট আতাউর রহমান সেলিম,,

সমাবেশে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বরাবরে একটি স্মারকলিপি পাঠ করেন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি সুমাইয়া চৌধুরী।

 

স্মারকলিপিতে বলা হয়, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরও সিলেট অঞ্চল অবহেলিত। রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা, হাসপাতালের সেবা করুণ, রেললাইন জরাজীর্ণ, বিমানবন্দর সীমিত ক্ষমতার। উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন হলেও অর্থ ছাড় না হওয়ায় কাজের অগ্রগতি থেমে যায় কাগজে-কলমে।

বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। তারা প্রশ্ন তোলেন, “একটি অঞ্চলের নামেই যখন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সেখানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সীমিত কেন থাকবে?”

এছাড়া তারা দাবি জানান, ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক দ্রুত ছয় লেনে উন্নীত করা, ঢাকা–সিলেট রেলপথ সংস্কার ও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা, সিলেট–কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু করা, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (SDA) সক্রিয় করা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা, প্রবাসীদের সম্পত্তি রক্ষায় আইনগত নিশ্চয়তা ও প্রতিটি জেলায় প্রবাসী মনিটরিং সেল গঠন, বিমানবন্দর ও সরকারি অফিসে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও উন্নয়নের জোরালো দাবি উঠে আসে। বক্তারা বলেন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আধুনিকীকরণ, অফিস-আদালতে ঘুষ বন্ধ, এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগে সিলেট অঞ্চলের প্রয়োজন মেটাতে হবে।

এছাড়া সিলেটের নদী-খাল রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পর্যটন এলাকা সংরক্ষণ ও সরকারি উদ্যোগে উন্নয়ন, সিলেট–ঢাকা বিমানে শিক্ষার্থীদের জন্য ছাড় এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদানের দাবি জানান তারা।

বক্তারা বলেন, “সিলেটের উন্নয়ন মানে কেবল সিলেট নয়—এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত।”

ডাইভার্সিটি প্লাজার আকাশে বিকেলের আলোয় উড়ছিল নানা ব্যানার ও পোস্টার— সিলেট নিয়েই বৈষম্য কেন?

“ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” “ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ অবিলম্বে শুরু করতে হবে।”

“ঢাকা-সিলেট রেলপথ সংস্কার এবং অন্তত দু’টি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু করতে হবে।”

“সিলেট টু কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন লাইন চালু করতে হবে”

“সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কার্যকরভাবে চালু করতে হবে।”

“প্রবাসী হয়রানি বন্ধ করতে হবে, বিশেষ করে বিমানবন্দর ও সরকারি অফিসে।”

“প্রবাসীদের স্থাবর সম্পত্তি রক্ষার নিশ্চয়তা দিতে হবে।”

“প্রবাসীদের জন্য প্রতিটি জেলায় মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।”

“প্রবাসীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে হবে।”

“দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।”

“ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসার মান উন্নত করতে হবে।”

“সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে।”

“সিলেটের পর্যটন এলাকাগুলো সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করতে হবে।”

“সিলেট অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।” “সিলেটের উন্নয়ন চাই”, “বঞ্চনার অবসান চাই”, “সিলেটবাসীর দাবি বাস্তবায়ন কর।”

বক্তাদের ভাষায়, এটি শুধু একটি সমাবেশ নয়—এটি এক চেতনার পুনর্জাগরণ।

 

উপস্থিত সকলকে স্মারকলিপি পরে শুনানু হয়

 

মাননীয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়

তেজগাঁও, ঢাকা।

 

মাধ্যমে: জনাব মোজাম্মেল হোসেন, কনস্যুলেট জেনারেল, বাংলাদেশ দূতাবাস, নিউইয়র্ক, আমেরিকা।

 

বিষয়ঃ জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সিলেট বিভাগের ২১ দফা উন্নয়নের দাবিতে স্মারকলিপি

 

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা,

১৯৭১ সালে ৯ মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধে বৃহত্তর সিলেট বিভাগের ৪টি জেলার সূর্য সন্তানরা অসামান্য অবদান রেখেছেন। বিগত জুলাই আন্দোলনেও এই বিভাগের তরুণরা নিজের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে ভূমিকা রেখেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আপনি দেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। দেশ বিদেশে আপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিচয় ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে আপনার অনেক সুনাম রয়েছে। আপনার নোবেল অর্জনে বাংলাদেশ পেয়েছে নতুন পরিচয়। একজন যোগ্য ব্যাক্তি হিসাবে আপনি অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনা করে আসছেন। এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। আপনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রমকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দু:খজনক হলেও সত্য যে দেশবরেণ্য অনেক ব্যাক্তিত্বের জন্ম সিলেট বিভাগে। গ্যাস, তেল, চুনাপাথর, সিলিকা বালু, চা, রাবার, পর্যটন শিল্পসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই বিভাগের অনেক অবদান থাকলেও বিগত কয়েকটি সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলেও সিলেট বিভাগের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নের নামে এখানে অনেক বৈষম্য করা হয়েছে। ২৪ এর জুলাইয়ের আন্দোলনে স্বৈরাচার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসাবে এই বৈষম্য দূর করে সিলেট বিভাগের কাঙ্খিত উন্নয়নে আপনার কাছে আমাদের অনেক প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা রয়েছে।

 

মাননীয় উপদেষ্টা,

আমাদের বিশ্বাস রয়েছে, আপনি ওলি আউলিয়ার পূণ্যভূমি সিলেট বিভাগের উন্নয়নে আপনার আলাদা একটি দৃষ্টি রয়েছে। তারপরও এই এলাকার মাটির সন্তান হিসাবে আমরা সিলেট বিভাগে কাঙ্খিত উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা আপনার নিকট স্মারকলিপিতে দফা দাবি উপস্থাপন করছি।

 

১। ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

২। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ অবিলম্বে শুরু করতে হবে।

৩। ঢাকা-সিলেট রেলপথ সংস্কার এবং অন্তত দু’টি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু করতে হবে।

৪। সিলেট টু কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন লাইন চালু করতে হবে।

৫। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (SDA) কার্যকরভাবে চালু করতে হবে।

৬। প্রবাসী হয়রানি বন্ধ করতে হবে, বিশেষ করে বিমানবন্দর ও সরকারি অফিসে।

৭। প্রবাসীদের স্থাবর সম্পত্তি রক্ষার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

৮। প্রবাসীদের জন্য প্রতিটি জেলায় মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।

৯। প্রবাসীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে হবে।

১০। দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।

১১। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসার মান উন্নত করতে হবে।

১২। সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে।

১৩। সিলেটের পর্যটন এলাকাগুলো সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করতে হবে।

১৪। সিলেট অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

১৫। বৃহত্তর সিলেটের বাঙা রাস্তা-ঘাট অবিলম্বে পুনঃনির্মাণ করতে হবে।

১৬। জেলা থেকে উপজেলা পর্যায়ের সংযুগ সড়ক উন্নত করতে হবে।

১৭। সিলেটের নদী ও খাল বিল রক্ষা করতে হবে এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হবে।

১৮। গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ: সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) অধীনে থাকা গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলন করা গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করা এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়ানো।

২০। পরিত্যক্ত কূপের পুনঃখনন: পরিত্যক্ত গ্যাসক্ষেত্রগুলো পুনরায় খনন করে নতুন করে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা।

২১। স্থানীয় উন্নয়ন: গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত সম্পদের সুফল যাতে স্থানীয়ভাবে উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়, সে বিষয়ে নিশ্চিত করা।

২১। গ্যাস সংকট নিরসন: সিএনজি ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন শিল্প ও আবাসিক ক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা, যা প্রায়শই সংকটের সম্মুখীন হয়।

 

 

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা,

আমরা প্রবাসীরা সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে কঠিন জীবন সংগ্রামে লিপ্ত আছি। তারপরও চাই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি ভাল থাকুক ও উন্নয়ন হোক। প্রবাসীদেরকে দেশের মূলস্রোত থেকে যাতে করে বিচ্ছিন্ন না হন তার জন্য প্রবাসীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার যদি আমাদের সিলেট বিভাগের উন্নয়নে কাঙ্খিত প্রকল্প গ্রহণ করেন এবং সেখানে আমাদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে তাহলে আমরাও সেখানে অংশ গ্রহণ করব। আমাদের প্রত্যাশা আপনি একজন যোগ্য নেতা হিসাবে আমাদের এ দাবিগুলোর প্রতি আন্তরিক হবেন এবং আমাদের ১৪ দফার আলোকে সিলেট বিভাগের উন্নয়নে সচেষ্ট হবেন।

 

 

জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সিলেট বাসীর পক্ষে-

 

বদরুল খান

সভাপতি

জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক

 

রোকন হাকিম

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক

জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক

 

মোঃ লোকমান হোসেন (লুকু), সহ-সভাপতি (সিলেট জেলা), শামীম আহমেদ, সহ-সভাপতি (সুনামগঞ্জ জেলা), মোঃ শফি উদ্দিন তালুকদার, সহ-সভাপতি (হবিগঞ্জ), মোঃ জাবেদ উদ্দীন, সহ-সভাপতি (মৌলভীবাজার), মোহাম্মদ আলিম, কোষাধ্যক্ষ, মোঃ জিল্লুর রহমান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক, ফয়ছল আলম, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক, হোসেন আহমদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মান্না মুনতাসির, ক্রীড়া সম্পাদক,বুরহান উদ্দিন, আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, জাহিদ আহমেদ খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, সারা উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল আজিজ, কার্যকরী সদস্য (সিলেট জেলা), হুমায়ুন কবির সোহেল, কার্যকরী সদস্য (সুনামগঞ্জ জেলা), দেলোয়ার হোসেন মানিক, কার্যকরী সদস্য (হবিগঞ্জ জেলা), মোঃ ফজল খাঁন, কার্যকরী সদস্য (মৌলভীবাজার জেলা)

 

বোর্ড অব ট্রাষ্টি: বদরুন নাহার খান মিতা, কাওছারুজ্জামান কয়েছ, ছয়দুন নূর, নাজমুল হাসান কুবাদ